• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খাজা আসিফ অযোগ্য ঘোষিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৬ এপ্রিল: পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজের) এমপি খাজা আসিফকে অযোগ্য ঘোষণা করেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকামাভিসা থাকায় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬২ (আই)(এফ) অনুসারে তিনি এমপি পদে অযোগ্য ঘোষিত হন। বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদ হাইকোর্টে আসিফের বিরুদ্ধে করা এক মামলার রায়ে এই ঘোষণা দেন।

সূত্র মতে, উচ্চ আদালতের তিন বিচারপতির বেঞ্চ খাজা আসিফকে ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করে রায় দেয়। উচ্চ আদালতের রেজিস্টারকে রায়ের কপি পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকারকে বিষয়টি অবহিত করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। কারণ খাজা আসিফ একজন এমপি।

খাজা আসিফের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিলেন উসমান ধর নামে এক ব্যক্তি। তিনি ২০১৩ সালে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির এনএ-১১০ আসনে পিটিআই পার্টির হয়ে খাজা আসিফের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। নির্বাচনে তিনি খাজা আসিফের সঙ্গে পরাজিত হন। এরপর তিনি পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনে খাজা আসিফের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অভিযোগ আনেন। পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন তার সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। এরপর উসমান ধর উচ্চ আদালতে বিষয়টি নিয়ে যায়। উচ্চ আদালতের তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচার শুরু করে। বিচারপতিরা হলেন জাস্টিস আতহার মিনাল্লাহ, জাস্টিস আমের ফারুক ও জাস্টিস মোহসিন আকতার কায়ানি। খাজা আসিফ ২০১১ সাল থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বেশ কয়েকটি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকে তিনি মোটা অঙ্কের সেলারি পেতেন। এসব করার জন্য তার দীর্ঘ মেয়াদি আকামা ভিসা। মানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ছিল। ২০১৩ সালে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময়েও তার এই ভিসা ছিল। তবে নির্বাচনে মনোনয়ন নেয়ার সময় সেই তথ্য গোপন করে গেছেন তিনি। এটা আদালতে প্রমাণ হওয়ায় তাকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করে রায় দেয়া হয়।

খাজা আসিফের এই রায় শুনে মহা খুশি ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পিটিআই (পাকিস্তান তেহেরিক-ই-ইনসাফ)। আদালতের বাইরে তার সমর্থকরা গো নওয়াজ গো বলে স্লোগান দেয়। খাজা আসিফ এই রায়ের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সুপ্রিমকোর্টে আপীল করবেন বলে জানিয়েছেন।

সূত্র : পাকিস্তান এক্সপ্রেস ট্রিবিউন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ